
সোনারগাঁ প্রতিনিধি:
বিএনপির বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচিতে দীর্ঘদিন সক্রিয় ছিলেন জজ মিয়া। দলের আন্দোলন-সংগ্রামে নিয়মিত অংশ নেওয়ার কথা জানালেও বর্তমানে তাঁর দিন কাটছে চরম অভাব-অনটনে। দিনমজুরি করে সংসার চালানো জজ মিয়ার এখন সবচেয়ে বড় চাওয়া—মাথা গোঁজার জন্য একটি ছোট ঘর।
সোনারগাঁ উপজেলার পিরোজপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের চেঙ্গাকান্দি গ্রামের বাসিন্দা জজ মিয়া। তিনি মৃত মো. হযরত আলী ওরফে শনির ছেলে। স্থানীয়দের ভাষ্য, দীর্ঘ ১৭ বছর বিএনপির বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচিতে তিনি সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছেন। দলের জন্য রাজপথের কর্মসূচিতে উপস্থিত থাকলেও ব্যক্তিগত জীবনে তাঁর আর্থিক দুরবস্থা কাটেনি।
জজ মিয়া বলেন, ‘আমি দিনমজুরের কাজ করে সংসার চালাই। আমার বেশি কিছু চাওয়ার নেই। আমাকে যদি দুই চালার একটা ঘর তুলে দেওয়া হয়, তাহলেই হবে।’
সম্প্রতি তাঁর আর্থিক ও আবাসিক দুরবস্থার বিষয়টি স্থানীয় সংবাদমাধ্যম সোনারগাঁ টাইমসের অনুসন্ধানে উঠে আসে। বিষয়টি জানার পর সোনারগাঁ টাইমসের সম্পাদক ও জামায়াত-সমর্থিত ইউপি চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মুহাম্মাদ শাহজালাল মিয়া তাঁর পাশে দাঁড়ানোর উদ্যোগ নেন।
শাহজালাল মিয়া জানান, জজ মিয়ার অসহায়ত্বের বিষয়টি জানার পর তাঁর জন্য সরকারি সহযোগিতার ব্যবস্থা করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা পাওয়ার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অনেকে বলছেন, রাজনৈতিক পরিচয়ের বাইরে একজন অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোই মানবিকতার পরিচয়। দীর্ঘদিন রাজনৈতিক কর্মসূচিতে সক্রিয় থাকা জজ মিয়ার মতো অসচ্ছল মানুষের ন্যূনতম আবাসনের ব্যবস্থা হলে তাঁর জীবন কিছুটা স্বস্তির হবে।
জজ মিয়ার প্রত্যাশাও খুব বেশি নয়-‘একটা ছোট ঘর হলেই আমার আর কোনো কষ্ট থাকবে না।’
রিপোর্টারের নাম 
















