
সোনারগাঁও প্রতিনিধি :
নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁও থানাধীন কাঁচপুর এলাকায় আইয়ুব হোসেন হত্যাকাণ্ডের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে রহস্য উদঘাটনসহ ০২ জন আসামি গ্রেফতার।
সোনারগাঁও থানা সোনাপুর জালালাবাদ ঔষধ ফ্যাক্টরীর পরিত্যাক্ত ভাঙ্গারী গোডাউনের পূর্ব পার্শ্বে ডোবায় একটি সাদা প্লাষ্টিকের মুখ বাঁধা বস্তা বন্দি রক্তাক্ত মৃতদেহ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় ডিসিস্টের স্ত্রী মোসাঃ মাহফুজা আক্তার বাদী হয়ে সোনারগাঁও থানায় এজাহার দায়ের করলে সোনারগাঁও থানায় একটি হত্যা মামলা রুজু হয়।
ঘটনাটি অত্যন্ত স্পর্শকাতর ও চাঞ্চল্যকর হওয়ায় নারায়ণগঞ্জ জেলায় নবাগত পুলিশ সুপার জনাব মোঃ হাবিবুর রহমান মহোদয়ের নির্দেশনায় এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ’খ’ সার্কেল জনাব দিপংকর ঘোষ এর তত্ত্বাবধানে সোনারগাঁও থানা পুলিশের একটি চৌকস দল তদন্তে নামে। তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের সমন্বয়ে তদন্ত পরিচালনা করে ঘটনার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন এবং ঘটনায় জড়িত ২ জনকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, মোঃ শাহীন ও জামিল সহ আরোও ৩ জন সহ অজ্ঞাতনামা ২/১ জন আইয়ুবকে হত্যার পরিকল্পনা করে। পরিকল্পনা অনুযায়ী ঘটনার দিন ১০টি ইয়াবা ট্যাবলেট ও টাকার বিনিময়ে তার সহযোগী শাহীনকে ব্যবহার করে আইয়ুব হোসেনকে তার ভাঙ্গারীর দোকানে প্রবেশ করিয়ে তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে । হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত অন্যান্য সহযোগীদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
গ্রেফতারকৃত আসামিদের পরিচয়-
১। মোঃ শাহিনুর ইসলাম(৩০), পিতা- মোঃ মানিক মিয়া, মাতা- মোসাঃ নুর বানু, মাং- মাষ্টার পাড়া, থানা- নাগেশ্বরী, জেলা- কুড়িগ্রাম, বর্তমান- সাং- কাচঁপুর উত্তর পাড়া, আলতু মিয়ার এর বাড়ির ভাড়াটিয়া, থানা সোনারগাঁও, জেলা- নারায়ণগঞ্জ এবং
২। মোঃ জামির হোসেন(৫৭), পিতা- মৃত ছাহাদ আলী, সাং- কাচঁপুর উত্তর পাড়া, থানা- সোনারগাঁও, জেলা- নারায়ণগঞ্জ।
গ্রেফতারকৃত আসামি শাহিনুর নিজের দোষ স্বীকার করে বিজ্ঞ আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধি আইনের ১৬৪ ধারা মোতাবেক জবানবন্দি প্রদান করেন।
হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত অন্যান্য আসামিদের গ্রেফতার এবং ব্যবহৃত অস্ত্র ও অন্যান্য আলামত উদ্ধারে নারায়ণগঞ্জ জেলা সোনারগাঁ থানা পুলিশের অভিযান ও তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 
















