
ঢাকা প্রতিনিধি :
ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ (আইজিপি) মোঃ আলী হোসেন ফকির বলেছেন, সাইবার অপরাধ মোকাবেলায় পুলিশ সদস্যদের দক্ষতা ও সক্ষমতা বাড়ানোর কোনো বিকল্প নেই।
রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬) সকালে রাজধানীর মিরপুরে পুলিশ স্টাফ কলেজ বাংলাদেশ-এ “সাইবার অপরাধ মামলা তদন্ত সংক্রান্ত ট্রেনিং অব ট্রেইনার্স (টিওটি) কোর্সের” উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
আইজিপি বলেন, বর্তমান তথ্য প্রযুক্তির যুগে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ডিপফেক, এনক্রিপটেড যোগাযোগ ব্যবস্থা ও ক্লাউড কম্পিউটিং একদিকে যেমন সম্ভাবনার দ্বার খুলেছে, তেমনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জন্যও তৈরি করেছে নতুন চ্যালেঞ্জ। অপরাধীরা প্রযুক্তির অপব্যবহার করে সাইবার প্রতারণা, অনলাইন আর্থিক অপরাধ, তথ্য চুরি, হ্যাকিং, অনলাইন হয়রানি ও ডিজিটাল চাঁদাবাজির মতো অপরাধ ঘটাচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, ক্রমবর্ধমান সাইবার অপরাধ মোকাবেলায় পুলিশিংয়ের ধরনে পরিবর্তন আনা এখন সময়ের দাবি। সাইবার অপরাধ মামলার তদন্তে সক্ষমতা অর্জন আধুনিক পুলিশিংয়ের জন্য অত্যন্ত অপরিহার্য।
প্রশিক্ষণার্থী কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে আইজিপি বলেন, এই কোর্সের মাধ্যমে আপনারা শুধু প্রযুক্তিগত দক্ষতাই অর্জন করবেন না, প্রশিক্ষণ প্রদান ও যোগাযোগ দক্ষতাও অর্জন করবেন। অর্জিত জ্ঞান অন্যান্য তদন্তকারীদের মাঝে ছড়িয়ে দিলে সাইবার মামলা তদন্তকারীর সংখ্যা বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে।
পুলিশ স্টাফ কলেজ বাংলাদেশ-এর রেক্টর (অতিরিক্ত আইজি) কাজী মোঃ ফজলুল করিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন সিআইডি প্রধান (অতিরিক্ত আইজি) ব্যারিস্টার মোহাম্মদ মোশাররফ হোছাইন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন ডিআইজি (ট্রেনিং) মোঃ একরামুল হাবিব।
অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত ডিআইজি (ট্রেনিং-২) ড. মোছাঃ শেহেলা পারভীন সাইবার অপরাধ তদন্ত প্রশিক্ষণ রোডম্যাপ ও বাস্তবায়ন কৌশল উপস্থাপন করেন।
সভাপতির বক্তব্যে রেক্টর কাজী মোঃ ফজলুল করিম বলেন, বাংলাদেশ পুলিশের এপেক্স ট্রেনিং ইনস্টিটিউট হিসেবে পুলিশ স্টাফ কলেজ নানামুখী প্রশিক্ষণের মাধ্যমে পুলিশ কর্মকর্তাদের দক্ষতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের ট্রেনিং শাখার উদ্যোগে আয়োজিত ১০ দিনের এই কোর্সে পর্যায়ক্রমে ৩৩২ জন পুলিশ কর্মকর্তা অংশ নিয়ে মাঠ পর্যায়ের তদন্তকারীদের প্রশিক্ষণ দেবেন।
রিপোর্টারের নাম 






















